মেঘ–মৃত্যু–জীবন।। চাষা হাবিব
মেঘ, নদীর রূপোলী জলের মতন
পড়ে থাকা বিলুপ্ত সময়, তার পিছনে
মেঘের আড়াল, ছায়ামেঘ–মধু দূরবর্তী
মসৃণ মন্থর পথ–গতিই জীবন–অপেক্ষা।
গতির কাছেই জীবন জীবনের হাতে হয়ে ওঠে মনন।
চঞ্চল ঢেউয়ে শাদা অন্ধকার
রহস্য, লাল অন্ধকার, বাহারি আধারে
চন্দ্র–পক্ষ–নেত্র
চতুর্বেদের গান চলে ইশারায়।
জলপ্রপাত ধূম্ররক্ত মাড়িয়ে অনুভূতির
বাতাসে নড়ে বিবাদী সমন।
মধ্যরাতে সেই বাতাসে সমুদ্রমন্থনে তেড়ে আসা
বিকার অস্তিত্ব;
শাসিত করে ভাষা;
লাবণ্য খেয়ে বৈভবে করে গলদকরণ।
সূর্যের যে তাপ, দেহের যে উত্তাপ
সবকিছু জন্ম দেয় মনের ভেতর তীব্র প্রকৌশল।
গড়ে তোলে প্রত্নতত্ত্বে রূপান্তর;
আমি হেটে চলি যার ভিতর প্রতিদিন নিরন্তর।
পৃথিবীর মৃত্যু হলে, তার শ্বাস বেরিয়ে গেলে
উড়ে যাবো আরেক পৃথিবীতে
সেখানেও আমি উৎপন্ন করবো
বেচে থাকার অন্য নাম কবিতা।
অর্ধেক পাখি–অর্ধেক মন
যেনো একটি ফুল ছিঁড়তেই পৃথিবী ভেঙে চুরমার
সেখানেও বিপুল অন্ধকারেও নেমে আসা
নক্ষত্রবৃষ্টি আর মৃত্যু মুহূর্তের মতো সুন্দর।
যে ভাঙ্গে সে একা হয়–নিঃসঙ্গ ভুবন মাঝি
যার থাকে শুধুই বৈঠা আর অদম্য মৃত্যু জীবন।
কাব্যগ্রন্থঃ বোকা বাকসো; চাষা হাবিব।

