প্রত্নচুলের মারফতি আকাশদর্শন ॥ চাষা হাবিব
রাষ্ট্রচোখ শীতল হয়
জন্মমুখ ভাঁপওঠা ধানশরীরে গরম ঢেলে রচনা করে রাষ্ট্রসংগীত;
তোমার নরম হয়ে যাওয়া জন্মসনদ; তোমার নৈর্ব্যত্তিক চুলে-জোলাপ দুঃখমেখে
খোওয়া যায় বিষপাতান; খেলে যায় বোঙানাদ;
চুলশরীর পেছিয়ে কণ্ঠস্বর ভাতের মাড়ে মিশিয়ে দেয় সিরাম-রাজসার।
নির্বাচনী জলসায় তোমার ঘনকালো চুল হয়ে ওঠে নির্বাচনপ্রতীক;
আমরা হই হই কোরাসে;
আমরা জোরসে শ্লোগানে;
কলরব করতে করতে ঘাড় মটকায় রাষ্ট্রনখ। অথচ রক্তফুল গর্ভপাতে খসে ফেলে চুল;
ভিমরতিস্বরে অনাথ সরকারও মাপতে নামে চুলের দৈর্ঘ্য; বসানো হয় সেনা চৌকি-
তদন্ত কমিশন- জননিরাপত্তায় ইউনানি-আয়ুর্বেদা তবজ;
স্বায়তশাসিত প্রাদেশিক ছায়ামেঘ চুলের কৌপীনে সংস্কারের জন্য গোল হয়-
রচনামূলকচিরনি নেমে পড়ে চুলে- আঁচড়াতে আঁচড়াতে ভাঙ্গা আয়না দেখে নেয় মরা
দেহচুল; থু থু ভেজা চুল দেখতে ভিড় জমায় চ্যাংড়ার দল; শব্দ করে ছিঁড়ে ফেলে- ছেঁড়া হয় ধ্যানমগ্ন প্রত্নচুল;
হায় চুল! তোমার নিরবে কেঁপে যায় আমার অন্ডকোষ॥
পড়ুন কবিতা: কিছু মানুষ ও ক’জন কবি

