অ রু ণি মা ॥ চা ষা হা বি ব
আমার একটা সবুজ জামা
আর দু’খানা হলদে জুতোয়
লালফিতা বনেীচুল ঝুঁটি মাথা
ঝোলা ব্যাগ চটি দুই-রঙফুল।
তা-ই নিয়ে ঠিক বেরিয়ে গেলে
সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা-রাতে কিংবা
ভোরে অনকে দূরে- অনকে দূরে।
কাউকে কিছু না জানিয়েই বড্ড রাগে
বাড়ি থকেে যোজন ফুড়ে রুপোর দেশে
তখন বলো কউে কি আমার খবর নিবে।
যাবার পথে ঊষর ভূমি বনবনানী
খাড়ি জলা বিশাল নদী জঙ্গ-ভূমি
পাহাড় ডিঙোই নিচুতে নয়নজুলি।
অনেক অনকে সবুজে গ্রাম
কূল পেরিয়ে ঐ সমুদ্রে যাই
নোনা স্রোতে হাওয়ায় চড়ে।
নুড়ি কুড়াই সমুদ্র স্নানে
চিকন বালি সাগর নীলে
সেখান থেকে চিঠি পাঠাই
হাওয়াই মিঠাই রঙিনখামে।
হঠাৎ তখন গহন গড়ে মনটা পোড়ে
কী যেন নেই, কী যেন-ফাঁকা লাগে
আঁকার খাতা, ঘুড়ির সুতো, রঙ পেন্সিল
সেসব তো নয়-অন্য কিছু অচিন যেনো।
মনরে সুধাই কি তবে সে প্রিয় জিনিস!
বুবু’র সাথে ঝগড়াঝাটি- লুকোচুরি
দাদার সঙ্গে খুনসুটি গলাগলি নাকি
দিদার ঘররে শীতলপাটি পানের বাটি
ভাইটি আমার দুষ্টু পাজি আসতো পিছু।
নাকি অন্য কিছু- খেলা সাথী
না সেসব তো নয়-অন্য কিছু!
আর ছিল যে বাবার গাড়ি
র্হণ বাজানো আর লুটোপুটি
দাদুর লজেন্স, মায়ের শাড়ি।
সেসব ভেবে দাঁড়িয়ে গেলাম
আজকে না হয়, অন্য কখন।
ফের যদি চাও বকতে আমায়
দুপুর বলো খেলতে না দাও
ঠিক পালাবো সেদিন তখন।
খুঁজো তুমিও আমায় তখন
হলুদ জুতো, সবুজ জামায়
দিগন্তে গোধূলি অরুণমিায়।
পড়ুন :চাষা’র প্রবন্ধ

