সেই লোকটা
সেই লোকটা।
আত্মা খুলে দেখতে পারেন;
কাচের বয়ামের মতো যার ভিতরে আলো, হাওয়া ও পাপ জমে আছে—
আর লোকটা সেই আলো, হাওয়া ও পাপের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছেন;
লোকটা খুলে দিতে পারেন ভালোবাসার কপাট, ঘৃণার শৃঙ্খল, শ্রদ্ধার বুনটশরীর, ভয়ের জৌলুশ—
আর খুলে দিতে পারেন বিভেদ দেয়াল।
সেই লোকটা এতটা সাহস নিয়ে—
এতটা মমতা নিয়ে;
এতটা নির্মম দৃষ্টিতে মানুষকে দেখেন। কবিতা, গল্প, গান, চিঠি, প্রবন্ধ—
তিনি এক বিপর্যয় অভিজ্ঞতা। ধ্বংস করে সব;
কে যেন বলে চলেন— বাঙলার আকাশটা তাঁর।
সেই লোকটা গভীর—
কল্পনার চেয়েও গভীরভাবে জানেন;
আমাদের শরীর—মন—জনম।
শ্রাবণ এলেই—
চিহ্নের মতো চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা লোকটা
বাঙলা সাহিত্যের কালো গহ্বরটাকে স্পর্শ করতে কি ভয়ানক বিপজ্জনক—
ভয়াবহরকম বিপজ্জনক হয়ে, হয়ে যান আমাদের আধ্যাত্মিক সন্তসাধক।
আমরা লোকটাকে পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়ি।
পড়ুন কবিতা: চাঁদ ধোওয়া সৌন্দর্য

