চার বছর আগে লেখা, পড়ার আমন্ত্রণ…
হৃদ বচন।। চাষা হাবিব
১৫ নভেম্বর ২০২০, দিনাজপুর।
তোমার সকালে ভোরের সতেজ হাওয়া
এলোমেলো করে দেয় বুকের বাঁ পাশটা
আমি যখনি সে সতেজ কুসুমে ভাসিয়েছি
হৃদয়ের উপরিভাগ আমার কেপেছে আর
তোলপাড় করেছে ক্ষেতের সবটুকু ফসল।
যখনি দুপুরের নগ্ন সূর্য ঢলে পড়ে
ক্লান্ত বিকেলের বুকে মাথা রেখে
গোধূলিমায় আলোয় দেখা সেই আবছায়া ঘামে
ভেজা মুখ। যে প্রেমে আলোর দেবতা
ধুলো সরিয়ে দেয় রাতের;
আধিপত্য আর হলদেটে রক্তিমা ঢাকার আকাশে
জ্বলে উঠে তিমির রাত।
যেন আলো ঝলমলে পোয়াতি পূর্ণিমা চাঁদ
ঝলসে যায় মেশিনগানে বুকের ডান পাশ
আমিও ভেঙ্গে চুরমার গোধূলির আঁচলে
দাবানল পুড়ে ফেলে আমার ক্ষেতের সব।
আজকাল খুব বেশি বলাবলি হচ্ছে
বিবেকের শরীর নাকি খেয়েছে জীবাণুতে
অথচ সেই কবেই যখন তুমি আমি আমরা
সবে হাতে হাত ছুঁয়ে শরীরের উত্তাপ
মাপার চেষ্টায় কাছাকাছি নিঃশ্বাস
রেখেছি নিঃশ্বাসের ঘোলা জলে
তখনও কি জীবাণু প্রেম ছিল না এ দেহে!
তখনও কি ছিল না বুকের সুগ্রীব উচ্চতায়
লাভার দহন ঘন অগ্নি স্ফুলিঙ্গে।
তুমি ছুঁয়ে দিলেই হাজার তারায়
জ্বলতো নিওন সাইন আর আমি
বুকেতে তোমার জন্য ব্যথা জমে
আজও সূর্য স্নানে বিকেলের রোদ শেষে
বুকের বাঁ পাশ চিনচিন করে নড়ে আর
ডানপাশ কেঁদে ওঠে দীর্ঘ জখম ব্যথায়।
কাব্যগ্রন্থ–বোকা বাকসো

